এবার ডিবিসি নিউজকে চ্যালেঞ্জ করলেন মিজানুর রহমান আজহারী !

সম্প্রতি মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী ইসলাম বিরোধীতার অভিযোগ এনে একাত্তর টিভিকে বয়কটের ঘোষণা দিলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে তা নিয়ে চলে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এর পরপরেই বয়কটের

ঘোষণা দেন ভিপি নুরুল হক নুরও। এনিয়ে ডিবিসি নিউজের এক টকশোতে বয়কটের আলোচনাকে কেন্দ্র করে ‘গণমাধ্যমকে বয়কটের ঘোষণা’ প্রসঙ্গকে অস্বীকার করে মিজানুর রহমান আজহারী তার বিরোধীতা করে নিজের ভেরিফায়েড

ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন। নিচে চেঞ্জ টিভি’র পাঠকদের জন্য তা হুবহু তুলে ধরা হলো… ‘আস্সালামু আলাইকুম.. ॥একাত্তর টিভির পথেই হাটছে ডিবিসি নিউজ: ইসলাম ও আলেম ওলামারাই যেন টার্গেট ॥ . গতকাল দেখলাম

যে, ডিবিসি নিউজের একটি সংবাদের শিরোনামে ওনারা লিখেছেন— “বিশেষ মহলের গণমাধ্যম বয়কটের ঘোষণা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র”। সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। এভাবে ভুলভাল সংবাদ পরিবেশন করা সংবাদকর্মীদের উচিত নয়। এগুলো আপনাদের পেশাদারিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। গণমাধ্যম বয়কটের কথা আমরা বলিনি। শুধু ৭১ টিভিকে বয়কটের কথা বলেছি। গণমাধ্যম বয়কট করলে আমরা চলবো কি করে? দেশ চলবে কি করে? বয়কটের আহ্বানও তো আমরা গণমাধ্যমের থ্রুতেই করেছি। আপনাদের নিজেদের দোষ পুরো গণমাধ্যমের উপর চাপাতে চাচ্ছেন কেন ভাই? আর আমরাইবা গণমাধ্যমকে বয়কট করতে যাবো কোন দু:খে? বয়কট করেছি সুনির্দিষ্টভাবে একটি টিভিকে। সেটা হচ্ছে ৭১ টিভি। . আর,

এখানে রাজনীতি বা ষড়যন্ত্রের কিছু নেই। সব জায়গায় শুধু রাজনীতি খোঁজা— একটা বুদ্ধিবৃত্তিক পংগুত্ব ও অসুস্থ চিন্তার প্রভাব। সুস্পস্ট ইসলাম বিরোধিতার কারণেই ৭১ টিভিকে আমরা বয়কটের আহবান জানিয়েছি। বাংলাদেশের প্রথিতযশা আস্থাভাজন প্রায় সকল আলেমগণই এই আহবান জানিয়েছেন। বিবেকবান ধর্মপ্রাণ লোকজনও এই আহবানের সাথে একাত্ততা ঘোষনা করেছে। এই টিভির সাথে আমাদের বিরোধের জায়গা কেবল একটি— আর সেটা হল ইসলাম বিদ্বেষ। অন্য কিছু নয়। বিভিন্ন প্রোগ্রামে ধারাবাহিকভাবে ইসলামকে হেয় করা, ইসলামের বিভিন্ন অনুষঙ্গগুলোকে ছোট করা কিংবা তাচ্ছিল্যের চোখে দেখা এবং সর্বদা ইসলাম ও মুসলমানদের নেতিবাচকতা খুঁটে খুঁটে বের করাই যেন তাদের ব্রত। তাই, এই টিভি বয়কটের ঘোষণা দেয়াটা ছিল আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। . ধরুন, আমি কোনো দোকান থেকে ১ কেজি আটা কিনলাম। বাড়িতে এসে দেখি ওগুলো নষ্ট ছিলো। এবং এরকম ঘটনা যদি বারবার ঘটতে থাকে তখন আমি আমার পরিচিতজনকেও ঐ দোকান থেকে কিছু না কেনার জন্যই অনুরোধ করব। দিস ইজ এজ সিম্পল এজ ইট ইজ। আমরাও তাই করেছি। আপনারাই তো চিন্তার স্বাধীনতা বা মত প্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলে আসর জমিয়ে রাখেন কিন্তু এক্ষেত্রে এসে স্ববিরোধীতা দেখাচ্ছেন কেন? পাশাপাশি, সংবাদটিতে এভাবে প্রশ্ন করা হয়েছে— “যে বা যারা বয়কটের আহ্বান জানাচ্ছে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা কতটুকু?” . আহবানকারীদের বিশ্বাসযোগ্যতাই যদি না থাকে তাহলে আপনারা এটা নিয়ে এত উদ্বিগ্ন কেন? আর এটা নিয়ে এত ফলাও করে নিউজ কাভার দিচ্ছেন কেন? পছন্দ না হলে যেকেউ যেকোন গণমাধ্যম এড়িয়ে যেতেই পারে, প্রয়োজনে বয়কটও করতে পারে। এটা নিয়ে বিশেষ কিছু গণমাধ্যমের অতিউৎসাহী

হওয়ার কি কারন? আহবানকারীদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে আপনারা সন্দিহান হলেও, আপনাদের প্রতি গণমানুষের আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতা কতটুকু? সেটা জানতে আপনাদের এধরনের হলুদ মেশানো নিউজের কমেন্টসগুলো একটু পড়ে দেখতে পারেন অথবা জরিপ চালাতে পারেন। তখনি জানতে পারবেন আপনাদের ব্যাপারে পাবলিক পার্সেপশন কেমন? তাছাড়া, একাত্তর টিভির বিভিন্ন টকশোতে এসে, দেশের গুণীজনরা একাত্তর টিভি সম্পর্কে বিভিন্ন সময়ে কি ধরণের মন্তব্য করে গিয়েছেন সেগুলো অনলাইনে ভাসছে। সে আলাপে আর যেতে চাইনা। যে কোন প্রতিষ্ঠানের নামের শুরুতে শুধু “একাত্তর” শব্দটা বসালেই সেটা গ্রহনযোগ্য হয়ে যায় না। নীতি আর সততা দিয়ে গ্রহনযোগ্যতা অর্জন করতে হয়। ৭১ কোনো পণ্য নয়, ৭১ সবার। ৭১ মানে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সাম্য ও সুশাসন। যে যার সুবিধামত ৭১ বিক্রির ঠিকাদারি বাতিল করা প্রয়োজন। পরিশেষে, সকল সাংবাদিক বন্ধুদের কাছে অনুরোধ করব— হলুদ সাংবাদিকতা পরিহার করুন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করুন। সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলার সৎ সাহস অর্জন করুন। ইসলামের বিরুদ্ধে ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়ানো বন্ধ করুন। যে কোন প্রতিবেদনকে প্রান্তিকতামুক্ত রাখতে— শুধুমাত্র অসঙ্গতি বা নেতিবাচকতা নিয়ে পড়ে না থেকে ইতিবাচকতাও তুলে ধরুন। কখনো গুজব ও অনুমাননির্ভর তথ্য প্রচার করতে যাবেন না। যে কোন বিশেষ মহলকে সব সময় সুবিধা দিয়ে নিউজ করা থেকে বিরত থাকুন। লেজুড়বৃত্তির সাংবাদিকতা করে সাংবাদিকতার মত এমন মহান পেশাকে কলংকিত করবেন না প্লিজ। আল্লাহ হাফিজ আরো পড়ুন: অমুসলিম পণ্ডিতদের দৃষ্টিতে বিশ্বনবী মুহাম্মদ (সা.) ! গভীর আঁধার কেটে ভেসে ওঠে আলোর গোলক,সমস্ত পৃথিবী যেন গায়ে মাখে জ্যোতির পরাগ, তাঁর পদপ্রান্তে লেগে নড়ে ওঠে কালের দোলক,বিশ্বাসে নরম হয় আমাদের বিশাল ভূভাগ। মহানবী (সা.)-কে নিয়ে নিজ অনুভব এভাবেই প্রকাশ করেছেন কবি আল মাহমুদ। পৃথিবীর ইতিহাসে যুগে যুগে পথহারা মানুষকে সঠিক পথের নির্দেশনার জন্য যত নবী-রাসুল প্রেরিত হয়েছেন, তাঁদের প্রায় সবাই নির্দিষ্ট এলাকা বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মনোনীত হয়ে প্রেরিত হয়েছিলেন। একমাত্র মুহাম্মদ (সা.) এমন একজন প্রেরিত রাসুল; যিনি কিয়ামত পর্যন্ত সমগ্র ভূপৃষ্ঠে আগত মানুষের হিদায়াতের জন্য প্রেরিত হয়েছেন। মহানবী (সা.)-এর জ্ঞান, প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা, সততা, আন্তরিকতা আর আদর্শ দেখে যুগে যুগে বহু মনীষী অভিভূত হয়েছেন। নিরপেক্ষ বিশ্লেষণে অভ্যস্ত কারো পক্ষে তাঁর অতুল ব্যক্তিত্বের অনন্য প্রভাব, মহোত্তম মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠ গুণাবলির কথা স্বীকার না করার কোনো উপায় নেই। কারণ, মানব সভ্যতার সবচেয়ে সমৃদ্ধ পর্যায়গুলোর প্রতিটি ক্ষেত্রে বিশ্বনবী (সা.)-এর অতুলনীয় মহত্ত্ব ও গুণের ছাপ স্পষ্ট। মহানবী (সা.)-এর আদর্শ সম্পর্কে অমুসলিম পণ্ডিতদের কিছু মূল্যায়ন— Michael H. Hart তাঁর লিখিত বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থ The 100 : A Ranking of the Most Influential Persons In History-তে লিখেছেন, ‘মুহাম্মদ (সা.)-কে সর্বকালের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় শীর্ষস্থান দেওয়াটা অনেক পাঠককে আশ্চর্যান্বিত করতে পারে এবং অন্যদের মনে প্রশ্নের উদ্রেক হতে পারে, কিন্তু ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি সেক্যুলার এবং ধর্মীয় উভয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ সফল ছিলেন। সম্ভবত ইসলামের ওপর মুহাম্মদের তুলনামূলক প্রভাব খ্রিস্টান ধর্মের ওপর যিশু ও সেইন্ট পলের সম্মিলিত প্রভাবের চেয়েও বেশি। আমি মনে করি, ধর্মীয় ও সেক্যুলার উভয় ক্ষেত্রে প্রভাবের এই বিরল সমন্বয় যোগ্য ব্যক্তি হিসেবেই মুহাম্মদকে মানবেতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী একক ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত করেছে।’ আমেরিকার সর্বপ্রথম ‘ম্যান অব লেটার’ এবং ‘ফাদার অব আমেরিকান লিটারেচার’ নামে পরিচিত বিখ্যাত লেখক Washington Irving তাঁর ঐতিহাসিক গ্রন্থ Muhammad-এর ২০ পৃষ্ঠায় ঐতিহাসিক আবুল ফিদার সূত্রে লিখেছেন, “একজন মানুষের পরিপূর্ণ সৎ ও পুণ্যবান হতে যতগুলো গুণে গুণান্বিত হতে হয় মহান প্রভু তাঁর মাঝে এর সবকটি গুণের সমাবেশ ঘটিয়েছিলেন। তিনি এতটাই বিশুদ্ধ ও নির্মল প্রকৃতির অধিকারী ছিলেন যে স্বাভাবিকভাবে তিনি সবার কাছে ‘আল-আমিন’ নামে পরিচিত ছিলেন। প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাস যা বিচারের ক্ষেত্রে তাঁর মাঝে স্থিতি লাভ করেছিল আর তাঁর নম্রতা তাঁকে বরাবরই তর্ক-বিতর্ক সালিসির ক্ষেত্রে বিচারক ও মীমাংসাকারীর আসনে সমাসীন করেছিল।” মি. ইরভিং তাঁর আলোচ্য গ্রন্থের ১৯২ ও ১৯৩ পৃষ্ঠায় লিখেছেন, ‘তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক গুণাবলি ছিল নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর ও অতিমানবীয়। তাঁর ছিল দ্রুত উপলব্ধি করার সক্ষমতা, তেজস্বী স্মৃতিশক্তি, এক জীবন্ত ও প্রাণবন্ত কল্পনাশক্তি আর সৃজনশীল জেনিয়াস…।’ এরপর ১৯৯ পৃষ্ঠায় লিখেছেন, ‘সামরিক বিজয়গুলো কখনোই তাঁর মনে কোনো গর্ব কিংবা দম্ভের জন্ম দেয়নি। তিনি বাস্তবে নিজের স্বার্থে এ অভিযানগুলো করতেন না। চরম দুঃখ আর দারিদ্র্যের মাঝে তাঁর চরিত্রে যেমন সারল্যের প্রলেপ স্পষ্ট অনুভূত হতো, তেমনি যখন তিনি বিজয়ের সিঁড়ির সর্বোচ্চ সোপানে দাঁড়িয়েছিলেন; তখনো তাঁর চরিত্র ছিল এক ও অভিন্ন…।’ বহু গ্রন্থের প্রণেতা Mr James A. michener ‘দ্য রিডার্স ডাইজেস্ট’ পত্রিকার জুন ১৯৫৫ সংখ্যার ৭৯ পৃষ্ঠায় Islam the misunderstood Religion নামক প্রবন্ধে লিখেছেন, ‘ইসলাম যেভাবে অতি দ্রুতগতিতে গোটা বিশ্বে বিস্তৃতি লাভ করেছিল, সেভাবে অন্য কোনো ধর্ম বিস্তৃতি লাভ করতে পারেনি। মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবদ্দশায়ই ইসলাম আরবের একটি বৃহত্তম অংশে কর্তৃত্ব লাভ করেছিল। পরবর্তী সময়ে অতি দ্রুতই তা সিরিয়া, ফিলিস্তিন, মিসর, আধুনিক রাশিয়ার সীমান্তবর্তী ভূখণ্ডগুলোসহ উত্তর আফ্রিকার মধ্য দিয়ে স্পেনের প্রাচীর পর্যন্ত বিজয়াভিযান চালিয়েছিল। এর সবই সম্ভব হয়েছিল মুহাম্মদ (সা.)-এর সর্বোত্তম স্বভাব ও অতিমানবিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে।’ আধুনিক ভারতের জনক Mahatma Gandhi বলেন, ‘আমি জীবনগুলোর মধ্যে সেরা একজনের জীবন সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম, যিনি আজ কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান নিয়ে আছেন। যেকোনো সময়ের চেয়ে আমি বেশি নিশ্চিত যে ইসলাম তরবারির মাধ্যমে সেই সব দিনগুলোতে মানুষের জীবনধারণ পদ্ধতিতে স্থান করে নেয়নি। ইসলামের প্রসারের কারণ হিসেবে কাজ করেছে নবীর দৃঢ় সরলতা, নিজেকে মূল্যহীন প্রতিভাত করা, ভবিষ্যতের ব্যাপারে সতর্ক ভাবনা, বন্ধু ও অনুসারীদের জন্য নিজেকে চরমভাবে উৎসর্গ করা, তাঁর অটল সাহস। এ সবই মুসলমানদের সকল বাধা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে।’ পরিশেষে বলব, এমন নবীর উম্মত হতে পেরে আমরা প্রত্যেকেই ধন্য। কারণ এই নবীর উম্মত হওয়ার জন্য যুগে যুগে বহু নবী-রাসুল পর্যন্ত আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। মহান আল্লাহ আমাদের মহানবী (সা.)-এর দেখানো পথ ও মতে জীবন চালানোর তাওফিক দান করুন। আমিন। আরো পড়ুন: আরবদের মধ্যে হুহু করে বাড়ছে এরদোগানের জনপ্রিয়তা ! মিসরকে সাথে নিয়ে উপসাগরীয় অধিকাংশ আরব দেশ তুরস্ককে কোণঠাসা করার উপায় খুঁজতে তৎপর হলেও সিংহভাগ আরব জনগণ মনে করছে যে তুরস্কের রজব তৈয়ব এরদোগানই তাদের সবচেয়ে বড় শুভাকাঙ্ক্ষী। তুরস্ক এবং প্রেসিডেন্ট এরদোগানের ব্যাপারে আরব দেশের সরকার ও জনগণের এই বিপরীত অবস্থান উন্মোচিত হয়েছে অতি সম্প্রতি প্রকাশিত আরব জনমতের ওপর একটি ব্যাপক-ভিত্তিক জরিপের ফলাফলে। আরব বিশ্বের ১৩টি দেশে পরিচালিত হয় এই জনমত জরিপ। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৫৮ শতাংশই মনে করেন, অন্য যে কোনো দেশের নীতির তুলনায় তুরস্কের মধ্যপ্রাচ্যে নীতি আরব স্বার্থের পক্ষে। ফিলিস্তিন ইস্যু তো বটেই, এমনকি সিরিয়া এবং লিবিয়ায় তুরস্কের বিতর্কিত সামরিক হস্তক্ষেপও সিংহভাগ আরব জনগণ সমর্থন করছে। তুরস্কের পর চীন ও জার্মানির মধ্যপ্রাচ্য নীতির প্রতি আরবদের মনোভাব সবচেয়ে ইতিব

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *