বিয়ে করতে করতে আমি আজ ক্লান্ত হয়ে গেছি, আর বিশ্বাস হয় না ছেলেদের: শ্রাবন্তী

অনেক প্রত্যাশা নিয়ে মানুষ ঘর বাঁধে। সেই ঘরে থাকবে প্রে’ম, বিশ্বা’স, আন্তরিক বোঝাপড়া, আমৃ’ত্যু পাশাপাশি থেকে যাওয়ার টান, এমনটাই চান সব

দম্পতি। তবুও সেই প্রত্যাশা-চাওয়ার পালে মন্দ বাতাস লাগে। র’ক্তাক্ত হয় বিশ্বা’সের মানচিত্র। ভেঙে যায় অনেক আবেগে বাঁ’ধা ঘর। চারপাশের মানুষেরা সেই ঘর ভাঙার বেদনা দেখে না। অনুভব করে না যে দুটি হৃদয় ভালোবেসে একে অ’পরকে আঁকড়ে ধরেছিল সে দুটি হৃদয় বিচ্ছেদে কতোটা ক্ষত-বিক্ষত হয়! সেই

অনুভূতিকে পাশ কাটিয়ে সবাই মেতে ওঠে ঘর ভাঙার সমালোচনায়। যদি সেই ঘর হয় কোনো তারকার তাহলে তো বিতর্কের শেষ নেই। এই যেমন কলকাতার অ’ভিনেত্রী শ্রাবন্তীর সংসার ভেঙে যাচ্ছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। ভা’রতীয় গণমাধ্যমগুলো সেই গুঞ্জন উসকে দিয়েছে। কোথাও কারণ পাওয়া যায়নি কেন তৃতীয়বারের মতো পাতা সংসার গুটিয়ে নিতে চলেছেন শ্রাবন্তী! নব দম্পতি গত বছর দুর্গাপূজায় একসঙ্গে চুটিয়ে আনন্দ করেছেন। ষষ্ঠী থেকে দশমীর সিঁদুর খেলা- সোশ্যাল মিডিয়া মাতিয়ে রেখেছিলেন একগুচ্ছ রোমান্টিক ছবিতে। কিন্তু সদ্য শেষ হওয়া এবারের পূজায় সব নীরব। বরং শ্রাবন্তী-রোশনের ইনস্টাগ্রাম

প্রোফাইলে গিয়ে দেখা গেল একে অ’পরকে ইনস্টাগ্রামে আন-ফলো করে দিয়েছেন দুজনই। শুধু বিয়ের নয়, দুজনের একসঙ্গে থাকা যাবতীয় ছবি ডিটিল হয়ে গেছে প্রোফাইল থেকে। শ্রাবন্তীর ইনস্টার দেয়ালে শুধু দুটি গ্রুপ ছবিতেই রয়েছেন রোশন। শুধু রোশন-শ্রাবন্তী নন, নায়িকার প্রথম পক্ষের ছে’লে অ’ভিমন্যু চট্টোপাধ্যায়ের ইনস্টা প্রোফাইলেও তিনজনের বেশকিছু ছবি ছিল কিন্তু সবই গায়েব! কিষাণ বিরাজের সঙ্গে বিয়ে ভাঙার পরও তো এমনটাই হয়েছিল! সেই পুরোনো স্মৃ’তি মনে করেই গুঞ্জন দেখা দিয়েছে শ্রাবন্তীর ঘর ভাঙার। সেই গুঞ্জনে ঘি ঢেলেছেন শ্রাবন্তীর স্বামী রোশন। ভা’রতের নিউজ ১৮ বাংলাকে দেয়া মন্তব্যে রোশন জানিয়েছেন, ‘দশমীর প্রায় ১০ দিন আগে থেকেই আমি আর শ্রাবন্তী আলাদা থাকছি।’ কেন আলাদা থাকছেন সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছুই বলেননি তিনি। সেই কারণটাই এখন খুঁজছেন সবাই। কলকাতার সিনেমাপাড়া তো বটেই, বাংলাদেশেও শ্রাবন্তী ভক্তদের প্রশ্ন- কেন আবারও বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন তিনি। স্বামী রোশন সিংয়ের সঙ্গে কী’ ঝামেলা চলছে যে দানে দানে তিনদানের সংসারটাও রক্ষা হলো শ্রাবন্তীর!

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *