মালয়েশিয়ায় অবৈধ প্রবাসী নিরাপদে বৈধকরণের দারুণ সুবিধা দিল সরকার

মালয়েশিয়া সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী গত ১৬ ই নভেম্বর ২০২০ থেকে শুরু হয়েছে অ’বৈধ অভিবা’সী শ্রমিকদের বৈ’ধকরণ প্রক্রিয়া। রিকেলিব্রেশন নামের এই প্রক্রিয়ায়

শ্রমিক বৈ’ধকরণ নিবন্ধনে সরকার আগের মতো কোনো তৃতীয় পক্ষ বা এজেন্ট নিয়োগ করেনি। সে ক্ষেত্রে এবার সরাসরি দেশটির শ্রম ও মানব সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। যদি কোনো তৃতীয় পক্ষ, এজে’ন্ট বা দা’লাল শ্রমিকদের সঙ্গে কোনোরকম প্র’তার’ণা করে তাহলে দেশের প্রচলিত আইনের আ’ওতায়

এনে বি’চার করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির মানব সম্পদ মন্ত্রণালয়। শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় (কেএসএম) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বি’বৃতি’তে আরও বলা হয়, শ্রমিক নিয়োগে কোনো ধরনের প্র’তার’ণা করা হলে দেশটির বেসরকারি কর্মসংস্থান জাতীয় সংবিধান ১৯৮১ সালের ২৪৬ এর ৭ ধারায় প্র’তার’কদের বি’রু’দ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অ’পরা’ধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৩ বছর

কা’রাদ’ণ্ড এবং ২ লাখ রিঙ্গিত যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪০ লাখ টাকা জ’রিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সরকার এ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা। এ ধরনের অ’ভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁ’শিয়ারি দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে গত ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অ’বৈধ অ’ভিবা’সী কর্মী রি-হায়ারিং (পুনঃনিয়োগ) প্রকল্প পরিচালিত হয়েছিল। ওই প্রকল্পে দা’লাল ও এজে’ন্টদের কাছে টাকা ও পাসপোর্ট দিয়ে বিভিন্ন দেশের লাখ লাখ অভিবাসী কর্মী প্র’তার’ণা ও জা’লিয়া’তির শি’কার হয়েছিলেন। এই প্র’তা’রণার বিষয়টি দেশটির সরকার ও দূতাবাসে অবহি’ত করা হলেও সংশ্লিষ্ট প্র’তা’রক চক্রের বি’রু’দ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি। কারণ প্র’তা’রক চ’ক্র অ’ভিবা’সী কর্মীদের কাছ থেকে টাকা ও পাসপোর্ট গ্রহনের সময় কোন প্রকার টাকা জমা রসিদ বা কোনো ডকুমেন্টস তারা প্রদান করেন নাই।

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *