মুশফিক ভাই আমার বড় ভাইয়ের মত, মাফ চাওয়ার প্রশ্নই আসে নাঃ নাসুম

চলতি বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ শেষ ধাপে এসে প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেটারদের অনাকাঙ্খিত আচরণের জন্য আলোচনায়। এর আগে বাংলাদেশ দলের পেসার সাইফউদ্দিন সতীর্থ

আনিসুল ইমনের ওপর চড়াও হয়েছিলেন। এবার প্লে অফের ম্যাচে সতীর্থ নাসুম আহমেদের দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে তেড়ে আসেন বেক্সিমকো ঢাকার অধিনায়ক এবং

বাংলাদেশ দলের সিনিয়র ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। এদিকে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে এলিমিনেটরের এই ম্যাচটায় হারলেই বাদ বেক্সিমকো ঢাকা। এমন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে স্বাভাবিকভাবেই চাপে থাকার কথা সবার। সেই চাপ সামলাতে গিয়েই হয়তো ঢাকার অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের জন্য বেশ কঠিন হয়ে পড়েছিল। বোলিংয়ের সময় সতীর্থদের সঙ্গে বেশ উত্তেজিত আচরণ করতে দেখা গেছে তাকে। এমনকি মেজাজ হারিয়ে স্পিনার নাসুম আহমেদকে মারতে দুইবার হাতও উঠে গিয়েছিল ঠাণ্ডা মাথার

খেলোয়াড় বলে পরিচিত মুশফিকের। যদিও আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বার্তায় ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুশফিক। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরেক বার্তায় নাসুম বলেন, “আসসালামু আলাইকুম। আশাকরি সবাই ভালো আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। গতকাল ম্যাচের পর থেকে দেখতেছি আমাকে আর মুশফিক ভাইকে নিয়ে আপনারা যেগুলো লিখতেছেন এইগুলা কাম্য নয়।” তিনি আরও বলেন, “যেগুলো টিভি সেটে দেখছেন এইগুলা অনদ্যা ফিল্ডে হতেই পারে, আমাদের মিস এফোর্টের মাত্রাটাও একটু বেশিই ছিল গতকাল ম্যাচে পার্টিকুলারলি আমি মনে হচ্ছে এফোর্টলেস ছিলাম। মুশফিক ভাই অনেক সিরিয়াস ও ডেডিকেটেড ছিল ম্যাচে এবং আমার প্রতি এক্সপেকটেশনটাও বেশি ছিল টিমের।” তিনি বলেন, “যাইহোক স্রেফ অনদ্যা ফিল্ডের কাহিনী আমরা অনদ্যা ফিল্ডেই শেষ করে নেই। কিন্ত উনার সাথে আমার অবদ্যা ফিল্ডের বোন্ডিংটা অনেক ভালো ইবেন এই টুর্নামেন্টে উনি আমাকে ইন্ডিভিজুয়ালি প্রচুর সময় দিয়েছেন কিভাবে ভালো করা যায় এবং দুর্বল দিকগুলা দ্রুত কাটিয়ে উটা যায়।” নাসুম বলেন, “আমাদের তেমন কিছু হয়নি ম্যাচের পরে উনার সাথে অনেকবার কথা হয়ছে ড্রেসিংরুম টিম হোটেলে, আর উনি আমার বড় ভাইয়ের মত এবং টিম লিডার হিসাবে শাসাইতে পারেন বাট ইটস ওকে সো মাফ চাওয়ার প্রশ্নই আসেনা। দয়াকরে আমাদের এই ইস্যু নিয়ে তেমন কিছু লিখবেন না, আজ আমাদের গুরুত্বপূর্ণ খেলা আছে সবাই দোয়া করবেন জাজাকাল্লাহু খাইরান।”

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *