প্রবাসীদের মানবেতর জীবনযাপনে দায়ী মালয়েশিয়া সরকার

মালয়েশিয়ায় অভিবাসীদের মা’নবে’তর জীব’নযা’পনে সরকারকে দায়ী করলেন দেশটির ব্যবসায়ী নেতারা। তারা বলছেন, মালয়েশিয়ার উন্নয়ন ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ

দৃ’ষ্টা’ন্ত স্থাপনকারী হলেন অভিবাসী কর্মীরা। বিলা’সবহুল স্থা’পনা থেকে শুরু করে মেট্রোরেল ও পাতাল রেল পর্যন্ত রয়েছে তাদের দক্ষ কর্মের উদাহরণ। এরপরও অভিবাসী

শ্রমিকরা আজ অ’বহে’লিত হয়ে মানবেত’র জীব’নযাপন করছে। তাদের দু’র্দ’শার দায়ভার মালয়েশিয়ার সরকারকেই নিতে হবে। সম্প্রতি চলমান ক”রো’না ম’হা’মা’রিতে অভিবাসী কর্মীদের নমুনা পরী’ক্ষা বাধ্যতামূলক করা এবং তা ব্যতীত তাদের রুমে ঢুকতে না দেয়ার নির্দেশ ছিল অ’মানবিক এবং বে’আইনি। এটিকে জেনোফোবিক হিসেবে অভিহিত করেছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) মালয়েশিয়ার কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব পেনাংয়ের (সিএপি) সভাপতি মহিদিন আবদুল কাদের স্থানীয়

সংবাদমাধ্যমে এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, অভিবাসী শ্রমিকদের সরকার বা’ধ্য করছে স্যাঁ’তস্যাঁ’তে অ’স্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকতে। তার কারণ হলো শ্রমিক নিয়োগকর্তাদের জবা’বদি’হি বা নজরদা’রির আওতায় না আনা। এর ফলে নিয়োগকর্তারা তাদের শ্রমিকদের নিরাপদে থাকা খাওয়া বা বাসস্থান নিশ্চিত করছে না। এটা করলে তাদের আর্থিক লাভ কমে যাবে। তিনি আরও বলন, শ্রমিকদের ক”রো’না টে’স্ট বাধ্যতামূলক করা এবং টে’স্ট ছাড়া তাদের রুমে প্রবেশ নিষেধ করে মালয়েশিয়ার প্রবীণ মন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুবের সাম্প্রতিক ঘোষণাটি অবা’ক হওয়ার মতো। কারণ, অভিবাসী শ্রমিকরা দীর্ঘকাল ধরে দুর্দ”শা’গ্রস্ত অবস্থায় জীবন-যাপন করছেন। যখন সরকার তাদের জন্য উপযুক্ত আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে, তাদের জোর করে সমতল ইউনিটে বসবাস করতে বাধ্য করে, তখন সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *