কো’ষ্ঠকাঠিন্য হলে যে ৮টি খাবার একেবারেই খাওয়া উচিৎ নয়

কো’ষ্ঠকাঠিন্য তাকেই বলে যখন একজন মানুষ সপ্তাহে তিনবারের কম মলত্যা’গ করেন। শুনতে অদ্ভু’ত হলেও সত্যি যে কো’ষ্ঠকাঠিন্যে অনেকেই ভো’গেন নিয়মিত।

কো’ষ্ঠকাঠিন্য দূ’র করার বিষয়ে খাদ্যের ভূমিকা অনেক বড়। সঠিক খাবার যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে আপনাকে দূ’রে রাখতে পারে, তেমনি ভুল খাবার কো’ষ্ঠকাঠিন্যের কষ্ট

আরও বাড়াতে পারে। ১. ফ্রোজেন খাবার: খুব কম সময়ে তৈরি করে ফেলা যায় বলে ফ্রোজেন খাবার পছন্দ করেন অনেকেই। কিন্তু এগুলোতে পুষ্টি উপাদান ও ফাইবার থাকে না বললেই চলে।এছাড়াও এসব খাবারে থাকে আ’র্টিফিশিয়াল সুইটনার,প্রি’জার্ভেটিভ এবং ক্ষ’তিকর ফ্যাট। এগুলো সহজে হজ’ম হতে চায় না এবং কো’ষ্ঠকাঠিন্য তৈরি করে। ২. লাল মাংস: রেড মিট বা লাল মাংস অর্থাৎ গরু ও খাসির মাংসে থাকে বেশি পরিমাণে ফ্যাট। ফলে তা হজ’ম করা ক’ঠিন এবং কো’ষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে।কো’ষ্ঠকাঠিন্য বাড়াতেও পারে এই মাংস। অন্যদিকে মুরগী, টার্কি এবং মাছে ফ্যাট কম থাকায় তা হজ’ম হয় সহজেই। ৩. অ্যা’লকোহল এবং কফি:

ডি’হাইড্রেশন থেকে কো’ষ্ঠকাঠিন্য হয় আর অ্যা’লকোহল ও কফি দুটৈ ডি’হাইড্রেশন তৈরি করে।এই দুইটি পানীয় যদি আপনি রাত্রে পান করেন, তাহলে এর পাশাপাশি আপনাকে বেশি করে পানি পান ক’রতে হবে,নয়তো কো’ষ্ঠকাঠিন্য আরও তীব্র হবে। ৪. সাদা পাউরুটি: রিফাইনড ময়দায় তৈরি সাদা পাউরুটি ব্লাড সুগার বাড়াতে পারে। শুধু তাই নয়, এতে ফাইবার অনেক কম থাকে বলে তা কো’ষ্ঠকাঠিন্যও বাড়াতে পারে।নিয়মিত পাউরুটি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যও হবে নিয়মিত। এর বদলে লাল আটার রুটি বা হোল গ্রে'ইন/মাল্টি গ্রে'ইন পাউরুটি খেতে পারেন। ৫. পটেটো চিপস, ক্র্যাকারস এবং অন্যান্য প্র’ক্রিয়াজাত খাবার: পটেটো চিপস, ক্র্যাকার, বিস্কুট, ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল এসব খাবারে পুষ্টি উপাদান নেই বললেই চলে।এগুলোতে ফাইবার অনেক কম থাকে বলে তা কো’ষ্ঠকাঠিন্য তৈরি করে। ৬. চকলেট, কেক এবং কুকি: মিষ্টি খাবার আমাদের পরিপাকতন্ত্রের হজ’ম ক্ষ’মতা কমিয়ে দেয় কারণ এতে থাকে উচ্চ মাত্রায় কা’র্বোহাইড্রেট, কম ফাইবার এবং উ’চ্চ মাত্রায় ফ্যাট।বিশেষ করে চ’কলেট কো’ষ্ঠকাঠিন্য বাড়াতে বেশি দায়ী। ৭. তেলে ভাজা খাবার: চিকেন ফ্রাই, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই- এসব খাবার মুখরোচক বটে, কিন্তু তা কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়াতে ভূমিকা রাখে। এসব খাবার হজ’ম হতে অনেক বেশি সময় লাগে।৮. কাঁচা কলা: পাকা কলায় বেশি পরিমাণে ফাইবার থাকে, তাই তা মলত্যা’গে সাহায্য করে। কিন্তু কাঁচা কলায় আবার অ’তিরি’ক্ত স্টার্চ থাকে যা কোষ্ঠকাঠিন্য আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।তাই কো’ষ্ঠকাঠিন্য থাকলে সবজি হিসেবে কাঁচা কলা না খাওয়াই ভালো। এর বদলে পাকা কলা খান।

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *