‘কেউ ‘কাজের মাসি কেউবা সে’ক্সি ননদ বৌদি’

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার নির্বাচনে টলিউডের একঝাঁক তারকা অভিনয়শিল্পী অংশ গ্রহণ করেছেন। কেউ প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূল থেকে কেউবা

বিজেপির। তারকাদের এ তালিকার বেশিরভাগ হলেন টলিউড অভিনেত্রী। গত কয়েকমাস ধরে তারা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা।

এই নারী প্রার্থীদের নিয়ে নেটিজেনরা তৈরি করেছেন মিম। এক্ষেত্রে তাদের তিনটি ভাগে ভাগ করেছেন। এক. ‘সেক্সি ননদ-বৌদি’। দুই. ‘স্টাইলিশ দিদি-বোন’। তিন. ‘কাজের মাসি’। বেহালার পূর্ব ও পশ্চিমে ‘বিজেপির বাজি’ টলিউডের দুই তারকা পায়েল সরকার এবং শ্রাবন্তী চ‌্যাটার্জি। সম্পর্কিত খবর স্লিভলেস ব্লাউজ পরে কী অপরাধ করেছি: ভাবনা ‘আমার গায়ে হাত দেয়, গালাগাল করে’ বিয়ের ৪৫ দিনেই

অন্তঃসত্ত্বা দিয়া মির্জা নেটিজেনদের তৈরি করা মিমের প্রথম ভাগে রয়েছেন- শ্রাবন্তী-পায়েল। দ্বিতীয় ভাগে রয়েছেন- তৃণমূল সাংসদ ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী ও নুসরাত জাহান। যদিও এই দুই তারকা এবারের নির্বাচনের প্রার্থী নন। কিন্তু তারা নির্বাচনি প্রচার করছেন। আর তৃতীয় ভাগে রয়েছেন- সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী দীপসিতা ধর ও মীনাক্ষী মুখার্জি। নারীর বাহ্যিক অবয়ব, আচার-ব্যবহার, পোশাক দেখে তাদের বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করার প্রবণতা নতুন নয়। তবে ২০২১ সালের নির্বাচনে রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নারী প্রার্থীদের মুখ ব্যবহার করে মিমের মাধ্যমে হাসির উদ্রেক ঘটানোর চেষ্টা করেছেন মিম স্রষ্টারা। এর আগে শ্রাবন্তীকে ‘বহু বিবাহ প্রবর্তক মহিলা’ বলা হয়েছিল। অন্যদিকে

নুসরাত-মিমির ক্ষেত্রে বলা হয়েছিল তাদের যৌন আবেদনই মানুষকে ভোট দিতে বাধ্য করেছে। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর পায়েলের যৌন আবেদন বোঝাতে একটি ওয়েব সিরিজের অংশ কেটে তা নিয়ে নেটমাধ্যমে হাসি-ঠাট্টা করেন নেটিজেনরা। কিন্তু এবার মিম তৈরি করে বেশ বিতর্কের মুখে পড়েছেন মিম স্রষ্টারা। কারণ ভারতের নারীবাদী, যুক্তিবাদীরা এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন!

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *