আসছে হজ যাত্রীদের স্বার্থ সুরক্ষা আইন

হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং হজ যাত্রীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আইন আসছে শিগগিরই। হজ ও ওমরা এজেন্সিগুলো অনিয়ম করলে

নিবন্ধন বাতিলের পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে হচ্ছে এই আইন। সংসদের আগামী অধিবেশনে নতুন এ আইন পাস

হবে, প্রত্যাশা ধর্ম মন্ত্রণালয়ের। অন্যদিকে, বড় অংকের জরিমানার বিধান এবং হজযাত্রীর শারীরিক ক্ষতির দায় এজেন্সিগুলোর ওপর চাপানো যৌক্তিক নয় বলে মনে করে হাব। গত ৫০ বছরেও হজ ব্যবস্থাপনার জন্য হয়নি কোনো আইন। নীতিমালার মাধ্যমেই চলে আসছে হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা। নিবন্ধন, হজ প্যাকেজ ঘোষণা, চুক্তি, হজ বিষয়ক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন হয় এই নীতিমালার আলোকে। সৌদি

কর্তৃপক্ষের পরিবর্তিত নীতি ও চাহিদার আলোকে প্রতি বছর নতুন নীতিমালা বা প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। কিন্তু আইনি কাঠামো না থাকায় হজ এজেন্সিগুলোর প্রতারণা বা অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অনেক ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয় কর্তৃপক্ষকে। এ প্রসঙ্গে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল হামিদ জমাদ্দার বলেন, আইনটি হবে জনবান্ধব। হজ ব্যবস্থাপনাকে একটা সিস্টেমের মধ্যে আনার জন্য এই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান এবং হজযাত্রীর শারীরিক ক্ষতির দায় এজেন্সিগুলোর ওপর চাপানো যৌক্তিক নয় বলে দাবি হজ এজেন্সিগুলোর। হাবের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম আরেফ বলেন, একটা লাইসেন্সের দাম ২০ লাখ টাকা। আর আপনি শাস্তির বিধান

করছেন ৫০ লাখ টাকা। তাহলে বাকি টাকা কীভাবে দেবো? সবার স্বার্থের দিকে খেয়াল করতে হবে। তবে ধর্ম মন্ত্রণালয় বলছে, আইনটি সবার জন্য, শুধু বেসরকারি এজেন্সির জন্য নয়। প্রস্তাবিত আইনে কোনো এজেন্সির বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ হলে, জামানত বাজেয়াপ্তের পাশাপাশি জরিমানা আদায়ে প্রয়োজনে সম্পত্তি ক্রোকের বিধান রাখা হয়েছে।

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *